কার্ডিনালের বংশ-তালিকা

প্যাট্রিক ডি‘ রোজারিও’র পূর্ববংশের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা সঙ্গত কারণেই সম্ভব হয়ে ওঠেনি। তবে পাদ্রীশিবপুর চার্চের নথিপত্র এবং গ্রামটির প্রাপ্ত ইতিহাস থেকে যা পাওয়া যায় তা তুলে ধরা হলো: প্যাট্রিকের ঠাকুর দাদার ঠাকুরদাদার বাবা ছিলেন পাওলো ডি’রোজারিও (১৮০০ খ্রি:)। লক্ষণীয় যে, ধর্মপল্লী প্রতিষ্ঠার ৩৬ বছরের মাথায় তার নাম রেজিষ্টারে পাওয়া যায়। তার পেশা সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানা য়ায়নি। তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী ছিলেন সৈয়দ বংশের একজন নারী। তাই আমাদের বংশের সাথে সৈয়দ বংশের একটি বন্ধন ছিল। প্যাট্রিকের ঠাকুরদাদার ঠাকুরদাদা ছিলেন আদাই ডি’ রোজারিও (১৮৩২খ্রী:)। আদাই ডি’রোজারিও-এর দুজন সন্তান: মারিয়ানো ডি’রোজারিও ও ম্যানুয়েল ডি’রোজারিও। মারিয়ানোর ছেলে ছিল গ্রেগরী ডি’রোজারিও যিনি গ্রেগরী পিয়ন নামে সুপরিচিত ছিলেন।

প্যাট্রিকের ঠাকুরদাদা ও ঠাকুরদিদি ছিলেন যথাক্রমে ম্যানুয়েল ডি’রোজারিও (মৃত্যু ১৯৩০ খ্রি:) এবং সিসিলিয়া ডি’রোজারিও। ম্যানুয়েল ছিলেন কনস্ট্রাকশন কনট্রাক্ট র। তার স্ত্রী সিসিলিয়া ছিলেন দক্ষিণ পাদ্রীশিপুরের দীঘির পাড়ের পন্ডিত বাড়ির মেয়ে। এজন্যই ঐ বাড়ির সাথে বংশপরম্পরায় আমাদের সাথে আত্মীয়তার বন্ধনে তারা সংযুক্ত আছেন।

প্যাট্রিকের দাদা ম্যানুয়েল ও দাদি সিসিলিয়া দম্পতির ছিল ৮ জন সন্তান: ৪ জন পুত্র এবং ৪ জন কণ্যা। পুত্রগণ হলেন যথাক্রমে আলফ্রেদো ডি’রোজারিও, বার্নার্দো ডি’রোজারিও, আগষ্টিন ডি’রোজারিও এবং মাইকেল নিঙ্গাল ডি’রোজারিও আলফ্রেদোর স্ত্রী ছিলেন দেশান্তরকাঠির ডালফিনা কাম্পু। তাদের সন্তানরা ছিলেন: ফুলকিরি (স্টিফিনের ও লরেন্সের মা), এলিজাবেথ (এলি), ক্লারিছ, ডানিয়েল ও রুথমেরী।

বের্ণানার্দোর স্ত্রী ছিলেন মারীয়া ডি’রোজারিও যিনি দক্ষিণে বার্ণাড স্যারের বোন। তাদের একটি সন্তান ক্যামিয়েল ডি’রোজারিও (জন্ম: ৩/৪/১৯২৯; বিবাহ ১৯৫৫ খ্রি.; মৃত্যু: ১/৪/১৯৯৬) । অল্প বয়সে তার মা মারা যাওয়ায় প্যাট্রিকের মা ক্যামিয়েলকে আপন সন্তান হিসেবে লালন পালন করেন। ক্যামিয়েল দোকানদার বেনেডিক্টে র মেয়ে আঞ্জেলিনা মায়াকে ১৯৫৫ খ্রিষ্টাব্দে বিয়ে করেন (আঞ্জেলিনার জন্ম: ২২/৩/১৯৪০; মৃত্যু ৬/৪/১৯৮৮)। তাদের সন্তানেরা হল: যোসেফ, রনি, রিনা, সীমা, পঙ্কজ, জসিন্তা (বেবী)।

আগষ্টিন ডি’রোজারিও প্রথম স্ত্রী ছিলেন আগাথা (কালাই মাঝি’র বোন), দ্বিতীয় স্ত্রী ছিলেন শিকদার বাড়ির রোজি গমেজ। দ্বিতীয় ঘরের সন্তানেরা হলেন ক্যানেট ও শীলা। আগষ্টিন ডি’রোজারিও জাহাজে ওয়ারলেস অফিসার পদে কর্মরত ছিলেন। ব্রিটিশ সরকার তাঁকে ব্রাউন উপাধী দিয়ে সম্মানীত করে। ফলে তিনি আগষ্টিন ব্রাউন নামে সুপরিচিত ছিলেন এবং তাঁর বংশধরগণও ব্রাউন উপাধী ব্যবহার করে থাকেন।

 

বাকী ভাইদের প্রধান পেশা ছিল কৃষিকাজ। তবে পরবর্তীতে মাইকেল নিঙ্গাল ডি‘ রোজারিও ব্যবসার সাথে সংযুক্ত ছিলেন। কণ্যা সন্তানগণ হলেন ফিলিপ্পিনা ডি’রোজারিও, ফ্লোরা ডি’রোজারিও, ডিলফিনা ডি’রোজারিও এবং ডালপিনা ডি’রোজারিও। তারা সবাই পাদ্রীশিবপুর এবং পাদ্রীশিপুর ধর্মপল্লীর অর্ন্তগত বিভিন্ন গ্রামে বিবাহিত জীবন যাপন করেছেন।

প্যাট্রিকের বাবা ছিলেন মাইকেল নিঙ্গাল ডি’রোজারিও (জন্ম: ১৯০৩ খ্রিষ্টাব্দের ১২ আগষ্ট এবং বিবাহ: ১৯২১ খ্রিষ্টাব্দ; ১৯৮৮ খ্রিষ্টাব্দের ১২ জুন কোলকাতা কল্যাণপুর ধর্মপল্লীতে মৃত্যুবরণ করেন এবং তাকে ওখানেই সমাধিস্থ করা হয়। প্যাট্রিকের মা ছিলেন ফ্লোরা এসপিওজা ডিসপিনা ডি’রোজারিও (জন্ম: ১৯০৫ খ্রিষ্টাব্দের ১১ মার্চ, বিবাহ: ১৯২১, মৃত্যু: ১৯৯৫ খ্রিষ্টাব্দের ১৯ মার্চ)। প্যাট্রিকের মা ছিলেন উত্তর

কান্দার হাওলাদার বাড়ীর মেয়ে। তার বাবা ছিলেন উইলিয়াম গমেজ ও মা ছিলেন জার্মান পণ্ডিতের বোন। তাদের সন্তান ছিলেন: সদা, লিও, মিছুভেরোনিকা ও ডিসপিনা। ডিসপিনা হলেন প্যাট্রিকের মা।

মাইকেল নিঙ্গাল ডি’ রোজারিও এবং ফ্লোরা এসপিওজা ডিসপিনা ডি’রোজারিও দম্পতির ছিল ৮জন সন্তান। তাদের সংক্ষিপ্ত পরিচয় হলো: প্রথম সন্তান রিচার্ড রেজিনা ডি’রোজারিও। তিনি ১৯২২ খ্রিষ্টাব্দের ৪ জানুয়ারি জন্ম গ্রহণ করেন। ১৯৪৩ খ্রিষ্টাব্দের ১৭ জুলাই মিস্ত্রী বাড়ির আলেকজান্ডারের মেয়ে সিসিলিয়া গোমেজের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। রেজিনাল্ড ৩১ আগষ্ট, ২০০৮ খ্রিষ্টাব্দে এবং সিসিলিয়া ২০০৪খ্রিষ্টাব্দের ২৪ অক্টোবর মৃত্যু বরণ করেন। পেশায় রেজিনাল্ড ছিলেন ব্যবসায়ী। তিনি ভাই বোনের মধ্যে বড় ছিলেন বিধায় সাংসারিক দায়দায়িত্ব পালন করেছেন নিষ্ঠার সাথে। প্রাথমিকভাবে তিনি কলাপাড়ায় স্টক ও সাপ্লাইয়ের ব্যবসা করতেন। কোলকাতায় বসবাসকালে তিনি বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট তৈরি করে বায়োগ্যাস ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে সরবরাহ করতেন। রেজিনাল্ডের সন্তানগণ: তারা, পুষ্প, মঞ্জু, খুকু, মুক্তি, বেবী, মনিকা, শর্মিলা (১৫ সন্তানের মধ্যে জীবত ৮জন)

দ্বিতীয় সন্তান প্যাট্রিক হেরাল্ড (হেরী) ডি’রোজারিও ১৯২৫ খ্রিষ্টাব্দের ১৮ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৪ খ্রিষ্টাব্দে মারিয়া গোমেজের (জন্ম ১৯২৮ খ্রি; মাটিভাঙ্গা তালগাছিয়া বাড়ি) সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তিনি আর্মিতে ম্যডিকেল কোরে চাকুরী করতেন। তিনি ১১ মার্চ, ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দে কোলকাতায় মৃত্যুবরণ করেন। হেরীর সন্তানগণ হচ্ছে: মন্টু, রেবা, বাবু, রানু, স্বপন, মুনু, চোবে ও বুড়ি।

তৃতীয় সন্তান ক্লারেন্স ভ্যালেনটাইন ডি’রোজারিও ১৯২৭ খ্রিষ্টাব্দের ২৯ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৫৭ খ্রিষ্টাব্দের ৪ মার্চ (দক্ষিনে উর্বান গমেজের মেয়ে) ফিলোমিনা গোমেজের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তিনি প্রাথমিকভাবে কৃষিকাজ করেন এবং পরবর্তীতে কোলকাতা, বিদেশী জাহাজে ও বাংলাদেশের মধ্যে ক্যাটারিং এর কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। ভ্যালেনটাইন ৩০ জুলাই, ২০১১ খ্রিষ্টাব্দে পাদ্রীশিবপুরে মৃত্যুবরণ করেন। ভ্যালেনটাইনের সন্তানগণ: নিলু, ছিলু, অপু, দীপু, ছিপু ও নিপু।

চতুর্থ সন্তান কলেট ডি’রোজারিও ১৯৩১ খ্রিষ্টাব্দের ৭ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৪৫ খ্রিষ্টাব্দের ২৪ এপ্রিল নায়েব মশায়ের পুত্র এভলিন (আবু) গোমেজের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন এবং একজন আদর্শ গৃহিণী হিসেবে জীবন যাপন করেন। ২০০৬ খ্রিষ্টাব্দের ১১ মার্চ মৃত্যু বরণ করেন। কলেটের সন্তানেরা: দীপ্তি, ভিক্ট র, প্যাট্রোলিনা, হেলেনা, প্রভাতি, যোয়ান্না, ওয়াল্টার, প্রমিলা, ডলি, বাবু এবং নোয়েল (মৃত)। নায়েব মহাশয়ের মেয়ে ছিন্তিয়া গমেজকে ছোট শিশু রেখে মা মারা যাওয়ায় কলেটই তাকে সন্তানের মতো বড়ো করেছেন। তাই ছিন্তিয়া কলেটকে মা বলেছেন সারা জীবন। এই হিসেবে প্যাট্রিককে সব সময় মামা বলেই ডাকতো। ছিন্তিয়ার বিয়ে হয়েছে বরিশালের নগেন সরকারের ছেলে সুবাস সরকারের সাথে। এই পরিবার থেকে আসছে: পিন্টু, ঝর্ণা, লিপি ও রিংকু সরকার ও তাদের পরিবারবর্গ।

পঞ্চম সন্তান ভেরোনিকা হিল্ডা ডি’রোজারিও ১৯৩৪ খ্রিষ্টাব্দের ২৪ এপ্রিল জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৪৯ খ্রিষ্টাব্দের ৯ ফেব্রুয়ারি পশ্চিমে জোলাবাড়ির কালাই পেদার ছেলে সেবাষ্টিয়ান গমেজের (জন্ম ৪/৪/১৯২৬, মৃত্যু: ১/৭/১৯৯৬) সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তিনি সংসার জীবনে সুগৃহীণি হিসেবে দায়িত্ব পালন ক’রে ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১০ খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যু বরণ করেন। হিল্ডার সন্তানেরা: জয়শ্রী, এরিক, তপন, মাধবী, রিনা, স্বপন, বাণী, মীরা, রতন, ঝর্ণা, মনা। (দুজন মৃত)

ষষ্ঠ সন্তান গাব্রিয়েল ডি’রোজারিও ১৯৩৬ খ্রিষ্টাব্দের ৪ জুলাই জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি তার বড়ভাই রেজিনাল্ডের সাথে ব্যবসায়ের কাজে সহযোগিতা করতেন। অবিবাহিত অবস্থায়ই তিনি মাত্র ২৪ বছর বয়সে ১৯৫৯ খ্রিষ্টাব্দের ১৩ আগষ্ট পাদ্রীশিবপুরে পরলোকগমন করেন ও সমাহিত হন।

সপ্তম সন্তান আইরিস ডি’রোজারিও ১৯৪০ খ্রিষ্টাব্দের ১৭ আগষ্ট জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৫৭ খ্রিষ্টাব্দের ১৮ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণে বিসাই বাড়ির মার্টিন গোমেজের (জন্ম: ২০/৯/১৯২৬; মৃত্যু: ২০/১২/১৯৮৬) সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। পরবর্তীতে স্বামীর সাথে কোলকাতায় গমন করেন। তিনি বর্তমানে কোলকাতার ঠাকুরপুকুরে নিজ বাড়িতে সন্তানদের নিয়ে বসবাস করছেন। আইরিচের সন্তানেরা: আগ্নেস (সিস্টার),

যোসেফিন, বাবু (পালিত রমিও, মৃত একজন)।

অষ্টম সন্তান প্যাট্রিক পিটার ডি’রোজারিও ১৯৪৩ খ্রিষ্টাব্দের ১ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬১ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ মে তারিখে বরিশালে সাগরদী অরিয়েন্টাল ইনস্টিটিউটে অবস্থিত পবিত্র ক্রুশ সংঘের নবিসিয়েটে প্রবেশ করেন। ১৯৬২ খ্রিষ্টাব্দের ১৪ জুন পবিত্র ক্রুশ সম্প্রদায়ে প্রথমব্রত গ্রহণ করেন। পাদ্রীশিবপুরে ১৯৭২ খ্রিষ্টাব্দের ৮ জানুয়ারি যাজকপদে বিশপ যোয়াকিম রোজারিও কর্তৃক অভিষিক্ত হন। তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম অভিষিক্ত যাজক। তিনি ১৯৯০ খ্রিষ্টাব্দের ১২ সেপ্টেম্বর নবঘোষিত রাজশাহী ধর্মপ্রদেশের প্রথম বিশপপদে অভিষিক্ত হন। দিনাজপুরের ধর্মপাল শ্রদ্ধেয় বিশপ থিওটনিয়াস গমেজ সিএসসি উক্ত অভিষেক-অনুষ্ঠানে প্রধান অভিষেকারী হিসেবে পৌরহিত্য করেন।

 

১৯৯৫ খ্রিষ্টাব্দের ২১ এপ্রিল চট্টগ্রাম ধর্মপ্রদেশের বিশপ নিযুক্ত হয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ২০১০ খ্রিষ্টাব্দের ২৫ নভেম্বর ঢাকা মহাধর্মপ্রদেশের কো-এডজুটার আর্চবিশপ মনোনীত হন। ২০১১ খ্রিষ্টাব্দে ২৫ জানুয়ারি তারিখে ঢাকা আর্চডাইয়োসিসে অধিষ্ঠিত হন এবং ২০১১ খ্রিষ্টাব্দের ২২ অক্টোবর ঢাকা মহাধর্মপ্রদেশের আর্চবিশপ হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। পুণ্যপিতা পোপ ফ্রান্সিস ২০১৬ খ্রিষ্টাব্দের ৯ অক্টোবর ঢাকার আর্চবিশপ প্যাট্রিককে কার্ডিনাল পদে নিয়োগ দান করেন এবং একই বছর ১৯ নভেম্বর রোম নগরীতে সাধু পিতরের মহামন্দিরে কার্ডিনাল পদে অধিষ্ঠিত করেন। মন্ডলীর আইন মোতাবেক ৭৫ বছর ও আরও অধিক ২ বছরের বর্ধিত কার্যকাল সম্পন্ন ক’রে, ৭৭তম জন্ম বার্ষিকীতে ১লা অক্টোবর ২০২০ খ্রিষ্টাব্ধে ঢাকার আর্চবিশপের দায়িত্ব থেকে অব্যহতি গ্রহণ করেন। কার্ডিনাল পদে বহাল থেকে বর্তমানে তিনি অবসর

জীবনযাপন করছেন।

উল্লেখ করা যেতে পারে যে প্যাট্রিকের বাবা ও জ্যাঠাদের বংশে বর্তমান পর্যন্ত (জানুয়ারী ২০২১) মোট লোক সংখ্যা ৩৭২ জন তাদের মধ্যে ৬০% লোক ভারতে বসবাস করছেন এবং ৪০% লোক বাংলাদেশে বসবাস করছেন। মোট লোক সংখ্যার এপর্যন্ত মৃত্যু বরণ করেছেন ৫২ জন এবং জীবিত আছেন ৩২০ জন। বংশাবলী পরম্পরা গ্রন্থে বিস্তারিত সংরক্ষিত রয়েছে।

For any inquiries please email

cardinalpdr43@gmail.com

Copyright @  cardinal_porompora.  All right reserved. Developed by  barbarasolution.com